ইন্দুরকানীতে অনাবৃষ্টি, তাপদাহ, লবণাক্ততা,ডায়রিয়ার প্রকোপ, লকডাউন আর কর্মহীনতায় দিনযাপন

তাওসিফ এন আকবর

Earth journalist

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে অনাবৃষ্টি, তাপদাহ, লবণাক্ততা,ডায়রিয়ার প্রকোপ, লকডাউন আর কর্মহীনতা, আর্থিক দৈণ্যতাসহ নামকাওয়াস্তে দিনযাপন করছে উপজেলাবাসী।

প্রাকৃতিক এসব দুর্যোগের পাশাপাশি মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে ঘোষিত লকডাউনে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার নানা শ্রেণিপেশার নিম্ন আয়ের কয়েক হাজার মানুষ বেকার হয়ে পড়েছেন। উপার্জন না থাকায় পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটছে তাদের।

এদিকে সম্প্রতি পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার নদ-নদীসহ সমগ্র জেলা এবং উপকূলীয় ১৪ জেলার নদীগুলোর লবণাক্ততা ক্রমশ বেড়ে চলছে।সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে উপকূলীয় পানির উৎসগুলো লবণাক্ত হয়ে পড়ায় পানের অযোগ্য হয়ে পড়ছে পানি।জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির মুখে পড়ছে বাংলাদেশ

গত ৩০ মার্চ থেকে পূর্ণিমার জোয়ারের পানি আসার পর থেকেই পানি লবণাক্ত অনুভব করেন নদী তীরবর্তী মানুষ। হঠাৎ করে নদীর পানি লবণাক্ত হওয়ার বিষয়টি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ফসলহানির শঙ্কায় ভুগছেন কৃষকরা।

এছাড়াও উপকূলীয় জনপদের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাটি, পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা ও কুষ্টিয়ার ১৪ জেলার তিন কোটি ৩৯ লাখ দুই হাজার ৯৪৩ জন মানুষ এতে বেশির ভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

  • সহনীয় মাত্রা ১,২০০ মাইক্রো সিমেন্স/সেন্টিমিটার।
  • ফেব্রুয়ারি: ৩০০-৪০০ মাইক্রো সিমেন্স/সেন্টিমিটার।
  • মার্চ: ১,৩৬২ সিমেন্স/সেন্টিমিটার।
  • সূত্র: পরিবেশ অধিদপ্তর

উপজেলায় অনাবৃষ্টিতে লোকসানে পড়েছেন রবিশস্য চাষিরা।প্রচণ্ড রোদ, অনাবৃষ্টি এবং খাল-বিলে পানি কমে যাওয়ায় ফসলের খেত ফেটে গেছে।এতে বাঙ্গি-তরমুজসহ বিভিন্ন ধরনের ফসলের গাছ শুকিয়ে গেছে।আশানুরূপ ফলন না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন চাষিরা।

এছাড়াও চলতি মৌসুমে জমিতে করলা, মিস্টি কুমড়া, বেগুন, ঢেড়স, বরবটি, পুইশাক, লতিরাজ কচুসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি ও লতাকৃষির চাষ করা হয়েছে।এ বছর জোয়ারের পানিও দেরিতে এসেছে। পর্যাপ্ত সেচের অভাবে তথা পানির অভাবে ও রোদের তাপে জমির রবিশস্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।এতে এলাকার কৃষকরা কয়েক লাখ টাকার লোকসানে পড়েছেন।

তথ্য কৃতজ্ঞতা

প্রথম আলো।জাগোনিউজ২৪,বিডিনিউজ২৪ ও কালের-কন্ঠ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *