TAUSIF n AKBAR
Exclusive by
আজ ১লা মে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান শাহরিরার নাফীস আহমেদ (আবীর) এর ৩৬ তম জন্মদিন।১৯৮৫ সালের এই দিনে (১ মে) সেনা কর্মকর্তা পিতার চাকুরির সুবাদে ঢাকা সেনানিবাসের সিএমএইচ হাসপাতালে জন্ম গ্রহণ করেন।তার পিতা মহিউদ্দিন আহমেদ (অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা) এর পৈতৃক নিবাস পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের পাড়েরহাট বন্দরে।
নাফীসের মেজ ভাই ইফতেখার নাইম আহমেদ একজন ক্রিকেটার। আর ছোট ভাই ছোট ভাই ইখতেদার নাজিফ আহমেদ অনূর্ধ্ব–১৫ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ছিলেন।[১]
১৯৯৬ সালে নাফীস সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং ২০০১ সালে সেখান থেকে এসএসসি পাস করেন। তারপর তিনি নটর ডেম কলেজে ভর্তি হন এবং ২০০৩ সালে সেখান থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর নাফীস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করেন।
২০০৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ঈশিতা তাসনিমের সাথে তার পরিচয় হয় এবং পরবর্তীতে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। নাফীস-ঈশিতা দম্পতির এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। ২০০৭ সালে তাদের বড় ছেলে শাহওয়ার আলী নাফীসের জন্ম হয়। তারপর ২০১৯ সালে তাদের কন্যা সন্তানের জন্ম হয়।
শাহরিয়ার নাফিস একজন বাঁহাতি বাংলাদেশী ব্যাটসম্যান।জাতীয় দলের হয়ে তার অভিষেক হয় ২০০৫ এর ইংল্যান্ড ট্যুরে। বাংলাদেশ দলের প্রথম ইংল্যান্ড সফরে তিনি দলভুক্ত হন যদিও তার আগে মাত্র ৫টি প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা ছিল। তার আগে তিনি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের হয়ে খেলেন। তার প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচের সুযোগ ঘটে ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। সেই ম্যাচে তিনি ৭৫ রান করে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন।২০০৬ এর এপ্রিলে ফতুল্লা স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনি প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির দেখা পান।তার প্রথম টেস্ট শতক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ফতুল্লায় যা বাংলাদেশের টেষ্ট ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এই টেষ্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশ ৩৫৫ রান করে যা প্রথম দিনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অর্জন। একই বছর অগাস্টে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিনি প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরির সাক্ষাৎ পান। অক্টোবরে ভারতে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তিনি দলের সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পান। এ টুর্নামেন্টেই জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিনি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটি করেন।নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে আবারও শতক হাঁকান তিনি।
