পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির মৃধার নির্দেশে আদালতের স্থিতিবস্থার (Statusquo) নির্দেশ অমান্য করে জমির ধান কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে দেওয়ানি মোকদ্দমার বিবাদী সালাম হাওলাদার গং- এর বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী হলেন, মোঃ দলাই হাওলাদার।গত বুধবার (১’লা-ডিসেম্বর-২০২১ ইং) তারিখ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড বাদুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, একই বাড়ির চাচাতো ভাই সালাম হাওলাদার গংদের সঙ্গে জমি জমার বিরোধ চলছে আবু বকর গং এর সঙ্গে।এবিষয়ে আবু বকর গং বাদী হয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে একটি মোকদ্দমা দায়ের করেন, যার মোকদ্দমা নং-৬৯৭/২১ ইং। উক্ত মোকদ্দমায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবু বকর গং একটি আবেদন করেন এবং বিজ্ঞ আদালত মোকদ্দমাকৃত জমিতে স্থিতিবস্থার (Statusquo) আদেশ প্রদান করেন।অভিযোগ সুত্রে আরও বলা হয়, আদালতে মোকদ্দমা চলমান ও স্থিতিবস্থার থাকা অবস্থায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির মৃধা উভয় পক্ষকে ডেকে নিয়ে বাদী পক্ষের সামনেই বিবাদী পক্ষকে জমির ধান কেটে নেয়ার নির্দেশ দেন।এসময় বিবাদী আবু বকর গং আপত্তি জানালে কোন সমাধান পায়নি বলে জানান।চেয়ারম্যানের নির্দেশে গত বুধবার ১’ডিসেম্বর বিবাদী সালাম হাওলাদার গং আদালতের স্থিতিবস্থার আদেশ অমান্য করে সালাম হাওলাদার (৬০), আলামিন হাওলাদার (৩৮), আলাউদ্দিন হাওলাদার (৩৫), জালাল হাওলাদার (২৫), নাইম হাওলাদার (১৮), উভয় পিতাঃ সালাম হাওলাদার, নুর ইসলাম (৫০), পিতাঃ মৃত আব্বাস, চাঁন মিয়া (৬০), পিতাঃ মৃত আছমত আলী, সুজন হাওলাদার (২০),পিতাঃ আবুল হাওলাদার সহ ১৮ জন মিলে জমির সকল ধান দ্রুত কেটে নিয়ে যায়।বাদী পক্ষ আবু বকর গং প্রতিবাদ জানাতে গেলে অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও জীবন নাশের হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে বিবাদী সালাম হাওলাদার গং।
এব্যাপারে অভিযুক্ত মোকদ্দমার বিবাদী ও নিউজের আত্মপক্ষ সালাম হাওলাদার গং এর কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, মামলায় কি হবে না হবে সেটা আদালতের ব্যাপার আমরা জমিতে ধান রোপন করেছি এবং চেয়ারম্যানের নির্দেশে আবার আমরা ধান কেটে এনেছি বলে জানান।
এব্যাপারে আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির মৃধার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি বাদি বিবাদিকে ডেকে বলছি চাষাবাদ যে করছে ধান সে পাবে।
