শুনেছি অতৃপ্ত বাসনার খোঁজে
মৃতদের আত্মারা ফিরে আসে।
মরব নাকি?
খুব সহজে মরতে পারি।
মরে গিয়ে ভূত হয়ে তোমার ভেতর ঢুকতে পারি।
ঢুকব নাকি?
তারপর যা হবে:
আমি তোমার তনু, তন্তু, শিরা-উপশিরা, রক্তে মিশে গিয়ে তোমার হিস্যা হয়ে নিবিড়ে তোমার হব।
তোমার স্বজনদের সেটা সহ্য হবে না।
এখন যেমন হয় না! সে-কারণে,
তাঁরা তোমাকে নিয়ে যাবে ওঝার কাছে।
ওঝা কি মন্ত্র জানে? মন্ত্র না ছাই অবোধ্য অশ্লীল ভাষায় গালাগালি, নির্লজ্জ শ্লোক, তারপর মন্ত্র বিফল না হয়, সেই-হেতু দোহাই।
কেমন দোহাই? ওঝার মায়ের যোনি ছিঁড়ে তার বাবার মুখে ছিটকে পড়ার! (অর্থাৎ কালি এবং শিবকে নিয়ে বহুল প্রচলিত সেই দোহাই!)
তারপর?
কুণ্ডুলির ভেতরে তুমি তোমার ভেতরে কাল-সাপ অর্থাৎ আমি!
আমাকে বলবে, ‘তুই চলে যা’
আমি বলব, ‘না।’
যেতে কী নিবি?
জুতো নাকি ঝাঁটা।
আমি যখন তোমার চোখের ভেতর ক্রোধান্ধ লাল স্ফুলিঙ্গ
সে তোমাকে লাঠিপেটা করে!
যেহেতু তোমার ব্যথা সইতে না পারাটা আমার সহজাত স্বভাব, তাই হয়তো ওঝার নির্দেশে জুতো/ঝাঁটা কিছু একটা নেব অথবা পূব ধারের বড় তাল গাছটা ভেঙে দিয়ে যাব।
ওঝার বিলসহ দামি তাল গাছের মূল্য পরিশোধ করে স্বজনেরা ঠিকই তোমাকে বাসায় নিয়ে যাবে……
